২৩ জুন সালমান শাহ হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন।

0
305

OURBANGLANEWS DESK।

আদালত ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন চিত্রনায়ক সালমান শাহের ‘অপমৃত্যু মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন’ দাখিলের জন্য।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল বুধবার।

তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল না করায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ।

চিত্রনায়ক চৌধুরী মো. শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান।

তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী ওই সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেন।

১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই তিনি আবেদন জানান ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে-মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হোক।

আদালত সিআইডিকে নির্দেশ দেন অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে।

১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডি সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

সালমান শাহের মৃত্যুকে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ‘আত্মহত্যা’ বলে উল্লেখ করা হয়। ঢাকার সিএমএম আদালতে ২৫ নভেম্বর ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়।

তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন।

২০০৩ সালের ১৯ মে আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠান মামলাটি। এরপর মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে ছিল প্রায় ১২ বছর।

২০১৪ সালের ৩ আগস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক বিকাশ কুমার সাহার কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন।

সালমান শাহের মৃত্যুকে ওই প্রতিবেদনে ‘অপমৃত্যু’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর ছেলের মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর

এবং আবেদন করেন ওই তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন।

নীলা চৌধুরী ঢাকা মহানগর হাকিম জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের নারাজির আবেদন দাখিল করেন।

নারাজি আবেদনে উল্লেখ করা হয়, তার ছেলে সালমান শাহের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জন।

নারাজি আবেদনটি মঞ্জুর করে আদালত র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে তদন্ত ভার দেন।

রাষ্ট্রপক্ষ ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল মহানগর দায়রা জজ আদালতে র‌্যাবকে তদন্ত দেয়ার আদেশের বিরুদ্ধে একটি রিভিশন মামলা করেন।

সর্বশেষ ঢাকার বিশেষ জজ-৬ এর বিচারক ইমরুল কায়েস ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের রিভিশনটি মঞ্জুর করেন

এবং আদেশ দেন র‍্যাব মামলাটি আর তদন্ত করতে পারবে না।