স্কুলছাত্রের সচেতনতায় রক্ষা পেলেন পাঁচ শতাধিক ট্রেনযাত্রী।

0
233

OURBANGLANEWS DESK।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের কামুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র আবুল হোসেন।

শমশেরনগর ইউনিয়নের ঈদগাহ টিলার খোকন মিয়ার ছেলে সে।

৭ মে মঙ্গলবার রাতে আবুল হোসেনের সচেতনতার কারণে পাঁচ শতাধিক যাত্রীবাহী একটি ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে।

স্থানীয় এবং রেলওয়েসূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে একটি কাজে বের হয়েছিলো আবুল হোসেন।

সেখান থেকে ফেরার পথে টর্চ লাইটের আলোতে রেলপথের একটি পাত দ্বিখন্ডিত দেখতে পায়। এ অবস্থায় ট্রেন চলাচল করলে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটবে ভেবে সে গ্রামবাসীকে বিষয়টি অবহিত করে।

গ্রামবাসি শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশন ও শ্রীমঙ্গলস্থ রেলওয়ের গণপূর্ত বিভাগকে অবহিত করেন।

রেলওয়ে কর্তপক্ষ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শণন করে ভাঙা রেলপাত সরিয়ে সেখানে নতুন রেলপাত বসিয়ে দেন।

এসময় সিলেট থেকে চট্রগ্রামগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেসকে কুলাউড়া স্টেশনে কিছুক্ষণ আটকে রাখা হয়। আন্তনগর এই ট্রেনে যাত্রী ছিলেন পাঁচ শতাধিক।

শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ বলেন, সম্ভাব্য একটি দুর্ঘটনা থেকে আবুল হোসেনের সচেতনতায় বাঁচা গেছে।

খবর পেয়ে রেলওয়ে গণপূর্ত বিভাগের শ্রীমঙ্গলস্থ উর্দ্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেনকে অবহিত করলে তিনি ভাঙা রেলপাত সরিয়ে নতুন পাত প্রতিস্থাপন করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গলস্থ রেলওয়ে গণপূর্ত বিভাগের উর্দ্ধতন উ-সহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেন বলেন, এখন এ রেলপথ ঝুঁকিমুক্ত আছে।

তিনি আরও বলেন, স্কুল ছাত্রটি সময়মত খবরটি না দিলে একটি দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিলো।