শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা।

0
168

OURBANGLANEWS DESK।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তামান্না আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীকে তার ভগ্নিপতি ধর্ষণের পর, শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন।

২১ জুন বৃহস্পতিবার, দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশ সদর উপজেলার নাটাই (দক্ষিণ) ইউনিয়নের শালগাঁও গ্রামে ওই কিশোরীর মরদেহ তার ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে।

শালগাঁও গ্রামের নোয়াব মিয়ার মেয়ে নিহত তামান্না আক্তার। ওই গ্রামে একটি বিদ্যালয়ে সে নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

অভিযুক্ত ভগ্নিপতি নাঈম ইসলাম (২৭) ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

তামান্নার বড় বোন এবং নাঈমের স্ত্রী স্মৃতি আক্তার সাংবাদিকদের জানান, নাঈম তার বাবা, বসু মিয়ার সাথে পৌর শহরে সড়ক বাজারের নিরাপত্তা কর্মীর কাজ করেন।

সোমবার নাঈম তামান্নাকে খবর দিয়ে বাড়িতে আনেন। বসু মিয়া বুধবার রাতে কাজে গেলেও নাঈম কাজে যায়নি।

স্মৃতি তার কাজে না যাওয়ার, কারণ জানতে চাইলে নাঈম তাকে জানায়, সকালে সে তার মাকে ঢাকা থেকে আনতে যাবে।

রাত সাড়ে ৯ টার দিকে নাঈম তার মেয়ে জান্নাতকে আমের জুস খাওয়ায়। জান্নাত জুস খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে।

এরপর তামান্নাকেও জুস খেতে বলে, তামান্না জুস না খেলে স্মৃতি সেই জুস খান। স্মৃতি জুস খাওয়ার সাথে সাথে অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে ঘুম থেকে ওঠে সকালে তামান্নাকে ডাক দিলেও, সে আর কোনও সাড়া দেয়নি। তামান্নার কাছে গিয়ে দেখা যায় তার শরীর রক্তাক্ত।

খবর পেয়ে গ্রামের এক সর্দার তাদের বাড়িতে আসলে নাঈম পালিয়ে যায়। স্মৃতি অভিযোগ করেন ধর্ষণের পর নাঈম তামান্নাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমান এ ‍বিষয়ে বলেন,

ঘটনার পর পুলিশ খবর পেয়ে দুপুরে লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

বিস্তারিত জানা যাবে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর।