শেরপুরে ৫ মাসে ৫৫ ধর্ষণ।

0
261

OURBANGLANEWS DESK।

শেরপুর জেলায় জানুয়ারি থেকে গত ৫ মাসে ৫৫ টি ধর্ষণ এর ঘটনা রেকর্ড করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় ০৯ জুন, রবিবার এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বেশ কয়েকজন ধর্ষককে স্থানীয় এলাকাবাসী এবং পুলিশ আটক করে আইনের আওতায় আনলে ও ধর্ষণের ঘটনা কমছে না। উদ্বেগ দেখা দিয়েছে নারীর প্রতি সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায়।

সভার দেয়া তথ্যমতে, ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। প্রতিবন্ধী নারীরাও বাদ যাচ্ছে না।

ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় কমিটির উপদেষ্টা হুইপ আতিউর রহমান আতিক গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন ধর্ষণ প্রতিরোধে আরও কঠোরভাবে আইনের প্রয়োগ করতে হবে।

আতিক বলেন, “ধর্ষক যাতে কোনোভাবেই রেহাই না পায়, তার পদক্ষেপ নিতে হবে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে”।

পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আশরাফুল আজীম বলেন, “ধর্ষণের অভিযোগ পেলেই পুলিশ সাথে সাথে ব্যবস্থা নেবে এমন নির্দেশনা রয়েছে।

ধর্ষণের বিষয়ে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে।” এবং তিনি দাবি করেন, “জেলায় যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ সবাইকে গ্রেপ্তার করেছে”।

পরিস্থিতি এতটা খারাপ যে, শ্রীবরদী উপজেলায় ঈদুল ফিতরের দিন গত ৫ জুন ধর্ষণের শিকার হয় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি ঈদ করতে তার আত্মীয়স্বজনের সাথে দাদা বাড়ি শালমারা গ্রামে আসে।

শিশুটি অন্য শিশুদের সাথে খেলা করার সময় আকরাম নামের একজন শিশুটিকে পাশের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে।

এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে শ্রীবরদী উপজেলায় গত ১ মে ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।

পুলিশ ওই ছাত্রীর আত্মীয়স্বজনদের বরাত দিয়ে জানায়, নিজের বাড়িতে ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে উজ্জ্বল মিয়া ধর্ষণ করে।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুবের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা কমিটির এ মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।