রাণীর মর্যাদা ব্যক্তিগত দেহরক্ষীকে বিয়ে করে।

0
183

OURBANGLANEWS DESK।

সিনেমাতে এমন ঘটনা অহরহ ঘটলেও বাস্তবে একটু বিরল। থাইল্যান্ডের রাজা ভাজিরালংকর্ন নিজের দেহরক্ষী বাহিনীর একজন সদস্যকে বিয়ে করে তাকে রাণী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

তার সিংহাসনে আরোহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে শনিবার। তার আগেই ভাজিরালংকর্ন সবাইকে অবাক করে দিয়ে এমন ঘোষণা দেন।

এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে ওই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার রাজকীয় পদকে দেবতুল্য বলে ঘোষণা করা হবে।

রাজা ভূমিবল আদুলিয়াদেজের মৃত্যুর পর ২০১৬ সালে ৬৬ বছর বয়সী মহা ভাজিরালংকর্ন দেশটির সাংবিধানিক রাজা হন।

এর আগে তিনি তিনবার বিয়ে করেছেন রাজা ভাজিরালংকর্ন এবং তাদের ছাড়াছাড়িও হয়ে গেছে। সাত সন্তানের জনক তিনি।

রাজকীয় এক ঘোষণায় এ বিষয়ে বলা হয়েছে, ”রাজা ভাজিরালংকর্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে,

জেনারেল সুথিদা ভাজিরালংকর্ন ন আয়ুদাহকে রাণী সুদিথা হিসাবে ঘোষণা দিচ্ছেন এবং তিনি রাজ পরিবারের নিয়মানুযায়ী রাজকীয় পদবী ও মর্যাদা ভোগ করবেন।”

উল্লেখ্য, রাণী সুদিথা রাজা ভাজিরালংকর্নের দীর্ঘদিনের সঙ্গী।

তাদের একসঙ্গে অনেকবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা গেলেও কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।

বুধবার রাতে থাই টেলিভিশনে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠানের ভিডিও প্রচার করা হয়।

সেখানে দেখা গিয়েছে রাজ পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং রাজ উপদেষ্টাদের।

ভিডিওতে দেখা যায়, রাজা ভাজিরালংকর্ন রাণী সুথিদার মাথায় পবিত্র পানি ঢেলে দিচ্ছেন। এরপর তারা বিয়ের রেজিস্টারে স্বাক্ষর করেন।

ভাজিরালংকর্ন ২০১৪ সালে থাই এয়ারলাইন্সের সাবেক বিমানবালা সুথিদা তিদজাইকে নিজের দেহরক্ষী বাহিনীর উপ প্রধান হিসাবে নিয়োগ দেন।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে রাজা ভাজিরালংকর্ন তাকে সেনাবাহিনীর একজন পূর্ণ জেনারেল হিসাবে পদোন্নতি দেন।

৭০ বছর ধরে থাইল্যান্ডের রাজা ছিলেন তার পিতা রাজা ভূমিবল আদুলিয়াদেজ। বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় শাসনকারী রাজা ছিলেন তিনি।