রাজধানীতে ঝড়ে ৩ জনের মৃত্যু, ১৬ জন আহত।

0
282

OURBANGLANEWS DESK।

হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটের প্যান্ডেল ভেঙে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে ও ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং বাড্ডায় একটি ভবনের দেয়াল ধসে দুইজন মারা গেছেন।

এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনা ঘটে ১৭ মে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে।

ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।

এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) বাড্ডা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) এলিন চৌধুরী ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া।

বায়তুল মোকাররমের প্যান্ডেল ভাঙার ঘটনায় মৃত ব্যক্তি মো. শফিকুল ইসলামের (৩৮) গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাটের আদিতমারী।

বর্তমানে তিনি ডেমরার পোস্তগোলায় থাকতেন। টায়ার কারখানায় কাজ করতেন তিনি।

এ ঘটনায় আহতরা— পুলিশের সিটিএসবি’র এসআই শরিফুল (৩৬), বিপ্লব (৩৪), মনির (৩৫), তারেক (৩৫), জানে আলম (২৫), শাকিল (২৩), মাসুদ (৩২), সজিব (২৮), আউয়াল (৩০), আলাল (৩৫), আরিফুল (২৫), আমানউল্লাহ (২৫), রফিউজামান (২৭)-সহ ১৬ জন।

বাড্ডায় দেয়াল ধসে বুলবুল (৩০) ও তপন (২৮) মারা গেছেন। এখনও আহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন,

‘বায়তুল মোকাররম মসজিদে আহত ১৬ জনের মধ্যে শফিকুল (৩৮) নামে একজন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া বাড্ডায় দেয়াল ধসের ঘটনায় নিহত হয়েছেন দুইজন।

১৬ জন বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক (মসজিদ ও মার্কেট বিভাগ) মুহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদার বলেন, ‘শুক্রবার দিন মসজিদে প্রচুর লোক হয়, এর মধ্যে রমজান মাস,

তাই মসজিদের দক্ষিণ গেটে মুসল্লিদের নামাজের জন্য একটি প্যান্ডেল করা হয়।

আজ মাগরিবের নামাজের সময় প্রবল ঝড়ে প্যান্ডেলটি ভেঙে পড়ে যায়।

তখন সেখানে ১০০ থেকে ১৫০ জনের মতো মুসল্লি ছিল।

এর পর আমরা ১৪-১৫ জন মুসল্লিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি।

এর মধ্যে ২-৩ জনের অবস্থা গুরুতর দেখেছি।’

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার মো. রাসেল সিকদার বলেন, ‘বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে নামাজের জন্য তৈরি একটি প্যান্ডেল ঝড়ো বাতাসে ভেঙে পড়ে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।’