যুবতী ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১।

0
167

OURBANGLANEWS DESK।

চুয়াডাঙ্গায় দুই দূর্বৃত্ত এক যুবতীকে গণর্ধষণ করেছে। মঙ্গলবার সকালে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে জেলার দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর গ্রামে।

বুধবার বিকালে দামুড়হুদা মডেল থানায় এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে পুলিশ আকাশ নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান বলেন, ধর্ষকদের কোন ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অভিযুক্ত একজনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

সূত্র জানায়, উজিরপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার নানীর বাড়ি থেকে মঙ্গলবার সকালে যুবতী নিজ বাড়িতে ফেরার সময় যুবতীর গতিরোধ করে ওই গ্রামের ওমর আলীর ছেলে আলামিন (২৬)

ও শহিদ মন্ডলের ছেলে আকাশ (২৫)। এরপর তাকে জোরপূবর্ক গ্রামের একটি ঘাস ক্ষেতে ধরে নিয়ে যায়। সেখানে ওই দুই যুবক ওই যুবতিকে উপর্যপুরী ধর্ষণ করে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রমজান আলী জানান, আমরা মাঠে কাজ করাড় সময় ক্ষেতের মধ্যে গোঙানির শব্দে কয়েকজন এগিয়ে যাই।

আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে আলামিন ও আকাশ পালানোর চেষ্টা করে। আকাশ পালিয়ে গেলেও আলামিনকে আমরা আটক করি।

আলামিনের স্বজনরা তাকে আমাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

নির্যাতিত ওই যুবতীর মায়ের অভিযোগ, গ্রামের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে ওঠে।

নানাভাবে চাপ দেওয়া হয় গ্রাম্য সালিশ বৈঠকে বিষয়টি মিমাংসা করবার জন্য।

ধর্ষকের পরিবার গ্রামে প্রভাবশালী হওয়ার কারণে থানাতে আসতে বাঁধা দেয়।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সুকুমার বিশ্বাস জানান,

“বুধবার পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান দুপুরে ধর্ষণের বিষয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নির্যাতিত কিশোরী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলেন।”

নির্যাতিত যুবতীর মা দুপুরে বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মডেল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত গাজী শামিমুর রহমান জানান,

“নির্যাতিত ওই যুবতীকে মামলার পর চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

একই সাথে অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেন পুলিশের বেশ কয়েকটি ইউনিট।”

বিকালে আকাশকে গ্রেফতার করা হয় চুয়াডাঙ্গা শহরের কাঠপট্টি এলাকা থেকে। চেষ্টা চালানো হচ্ছে অপর অভিযুক্ত আলামিনকে গ্রেফতারের।