মেঘনা-গোমতী সেতুর উদ্বোধন।

0
166

OURBANGLANEWS DESK।

২৫ মে শনিবার দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেঘনা সেতু ও দ্বিতীয় গোমতী সেতু।

সকাল সাড়ে ১০টায় সেতু দুটি সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন

এ তথ্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র আরো জানায়, একই দিন প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন কোনাবাড়ি ও চন্দ্রা ফ্লাইওভার, কালিয়াকৈর, দেওহাটা, মির্জাপুর ও ঘারিন্দা আন্ডারপাস এবং কাড্ডা-১, সাসেক সংযোগ সড়ক প্রকল্পের আওতায় জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়কে বিমাইল সেতুর।

এরপর উদ্বোধন করবেন ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে ‘পঞ্চগড় এক্সপ্রেস’ নামের আন্তঃনগর ট্রেন।

কাঁচপুর, দ্বিতীয় মেঘনা, গোমতী সেতু নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মো. নুরুজ্জামান জানান, ইতিমধ্যেই নবনির্মিত কাঁচপুর সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

ঈদে ঘরমুখী মানুষের ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রা অনেকটা আরামদায়ক হবে নতুন সেতু দুটি চালু হলে।

চলতি বছরের ১৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতুর উদ্বোধন করেন।

নুরুজ্জামান জানান, ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতীর সঙ্গে দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতুর কাজ শুরু করে জাপানি ঠিকাদারি প্রষ্ঠিান ওবায়সি কর্পোরেশন, শিমঝু কর্পোরেশন, জেএফএফ কর্পোরেশন ও আইএইচআই ইনফ্রা সিস্টেমস কোম্পানি লিমিটেড।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এই তিনটি সেতু নির্মাণে মোট ৮ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

এর মধ্যে জাপানের জাইকা সহায়তা দিয়েছে ৬ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।

১ হাজার কোটি টাকা এই প্রকল্পে প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় কম খরচ হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক এ বিষয়ে বলেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী জাপানের প্রতিষ্ঠানগুলো ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে কাজ শুরু করে এবং ২০১৯ সালের জুনে সম্পন্ন করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ করেছে তারা।’

প্রকল্প পরিচালক নুরুজ্জামান বলেন, ‘১ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৩০ মিটারের দ্বিতীয় মেঘনা ও ১ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৪১০ মিটারের দ্বিতীয় গোমতি সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

জনসাধারণের ঈদযাত্রার সুবিধার্থে ৩১ মে কাঁচপুর সেতুর পূর্বাংশের ওভারপাস খুলে দেওয়া হবে।’

এতে দূর হবে যাত্রী ভোগান্তি এবং স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারবে ঈদে ঘরমুখো মানুষ।