মির্জাপুরে কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে আগুন।

0
204

OURBANGLANEWS DESK।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের নতুন ছাত্রীনিবাসের দুই নম্বর ভবনে।

এতে ক্ষয়ক্ষতি তেমন না হলেও অন্তত তিনজন শিক্ষার্থী আহত হন ভবন থেকে হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার সময়।

এ ছাড়া ভয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন আরও দুজন। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে কুমুদিনী হাসপাতালে।

জানা গেছে হাসপাতাল সূত্রে, বৃহস্পতিবার ০৪ এপ্রিল বিকেল চারটার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় ভবনের সিঁড়ির পাশে বিদ্যুতের প্যানেল বোর্ডে শর্টসার্কিট থেকে।

মুহূর্তের মধ্যে ছয়তলা ভবনে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের ধোঁয়া।আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন স্থানীয় কিছু যুবক, কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মী গোলাম মোস্তফাসহ কয়েকজন বালু ও সাতটি ফায়ার এক্সটিংগুইশার দিয়ে।

পরে বিদেশি শিক্ষার্থীসহ মোট ১৪৪ জনকে নিরাপদে ভবনটির দ্বিতীয়, তৃতীয় ও ষষ্ঠ তলা থেকে নিচে নামিয়ে আনা হয়।

তবে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় তাড়াহুড়ো করায় পায়ে আঘাত পান তিন ছাত্রী এবং দুজন ভয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।

গোলাম মোস্তফা নিরাপত্তাকর্মী বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন আগুন লাগার আগমুহূর্তেও সিঁড়ির পাশে কাজ করছিলেন।

বোঝা যাচ্ছে না, কীভাবে প্যানেল বোর্ডে আগুন লেগেছে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে ফায়ার এক্সটিংগুইশার থাকায়।

জানান রীনা রানী হোস্টেল সুপার, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাজ করছিলেন ভবনটির কয়েকটি কক্ষে বিদ্যুৎ-সংযোগ দিতে। এ সময় হঠাৎ খবর পাওয়া যায় আগুনের।

রতন চন্দ্র সরকার মেডিকেল কলেজের অফিসার ইনচার্জ বলেন, তিনজন ছাত্রী পায়ে আঘাত পান ভবন থেকে হুড়োহুড়ি করে নিচে নামার সময়।

এ ছাড়া ভয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন দুজন ছাত্রী। চিকিৎসার জন্য তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে কুমুদিনী হাসপাতালে। নিরাপদে আছেন ভবনটিতে থাকা ১৪৪ জন শিক্ষার্থীর সবাই।

মহিদুর রহমান মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার বলেন, আগুনের সূত্রপাত হয় ভবনটির বিদ্যুতের প্যানেল বোর্ডে শর্টসার্কিট থেকে।

স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তাঁদের কর্মীরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে