মানুষের তরে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন

0
293

মানবতার বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন

মোঃ কাবাতুজ্জামান, কালের সমাচার।।

বিদ্যানন্দ একটি সামাজিক ও মানবিক ফাউন্ডেশন। মানবিকতার দায়বোধ থেকে কাজ করে যাচ্ছে এই ফাউন্ডেশন। বিদ্যানন্দের যাত্রা শুরু হয় ২০১৩ সালে। বর্তমানে ঢাকাসহ তাদের বিভিন্ন জেলা শহরে রয়েছে শাখা অফিস তারা প্রথমে ছিন্নমূল শিশুদের নিয়ে কাজ করে পর্যায়ক্রমে নানা ধরনের প্রজেক্টের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছে।

তাদের সর্ববৃহৎ প্রজেক্ট এক টাকায় আহার তারা প্রায় প্রতিদিন দুই হাজার পথশিশুদের আহারের ব্যবস্থা করে থাকেন । এই পর্যন্ত তারা প্রায় ৫ লক্ষ শিশুর জন্য আহারের ব্যবস্থা করেন এক টাকায় প্রকল্পে তারা এক টাকার বিনিময়ে আহার পরিবেশন করেন এটা মূলত তারা খাবারটাকে ভাগাভাগি করে খান। এছাড়াও তারা দেশের নান ধরনের প্রতিকূল অবস্থায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ান।

বিদ্যানন্দের নানা প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছে “বাসন্তি নিবাস’’ যেখানে মহিলারা ঢাকায় এসে অর্থের অভাবে থাকার জায়গা হয় না সেখানে বিদ্যানন্দের বাসন্তি নিবাস প্রকল্পটি মাত্র ৭১ টাকায় এক রাত একদিন থাকতে পারে। এছাড়া তাদের নিজস্ব একটি ট্রেনিং সেন্টারও রয়েছে সেখানে তারা নানা ধরনের ট্রেনিং নিতে পারে।

বর্তমানে তাদের আরও একটি বড় ব্যয়বহুল প্রকল্পের নাম এতিমখানা প্রকল্প যেখানে প্রায় ৫০০ এর মতো শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এতিমখানা প্রকল্পটি সারাদেশে ৬টি এতিমখানা পরিচালনা করেন। যেখানে শিক্ষার্থীরা থাকা খাওয়া পড়াশোনা সহ চিকিৎসাসেবা পেয়ে থাকেন।

এছাড়াও তাদের একটি গার্মেন্টসও রয়েছে সেখানে দুস্থ মহিলারা হাতের কাজের পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।

বিদ্যানন্দের ছোট প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ১ গøাস দুধ প্রকল্প যেখানে তারা প্রসূতি মহিলাদের মাতৃকালীন যেন তারা সঠিক চাহিদা অনুযায়ি দুগ্ধজাত ভিটামিনের অভাব পূরণ করতে পারেন তারা এই ব্যবস্থা করে থাকেন। এছাড়াও তাদের এক টাকার আহারের মতো এক টাকায় চিকিৎসার প্রকল্প রয়েছে যেখানে তারা ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ দিয়ে থাকেন ।

বিদ্যানন্দ এছাড়াও মাস্ক ও পি পি ই তৈরি করে। মাস্ক মূলত তারা সাধারণ জনগনের স্বাস্থ সচেতনতার কথাভেবে তৈরি করে এবং বিনামূল্যে বিতরণ করেন এবং পি পি ই মূলত হাসপাতালে বিনামূল্যে ডাক্তার ও নার্সদের বিতরণ করেন।

তাদের অর্থের যোগান সম্পর্কে জানতে চাইলে বিদ্যানন্দের ম্যানেজার বলেন, ‘যারা সমাজের বিত্তবান বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ যেমন স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে  পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা ও বিভিন্ন ধরনের সেচ্ছোসেবি সংগঠন সাহায্য সহযোগিতা করে থাকেন।’

এছাড়াও তাদের প্রকল্প সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ‘বিদ্যানন্দের সকল প্রকল্পকে তারা সমানভাবে নজর দিয়ে থাকেন। এবং ভবিষ্যতে আরও প্রকল্প বৃদ্ধির আশা প্রকাশ করেন। ‘

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে