“মধ্যবিত্ত” না পারে লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণ নিতে, না পারে ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করতে

0
400

“মধ্যবিত্ত” না পারে লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণ নিতে, না পারে ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করতে

ফারজানা দিনা, কালের সমাচার।

“সকালে দরজার খুলে এই বক্সগুলো খুঁজে পেলে কেমন অনুভূতি হতে পারে?

না, ভিক্ষা নয়, প্রতিবেশীর পাশেই দাঁড়িয়েছি। আমাদের কোন স্বেচ্ছাসেবীর পরিবারকেও এভাবেই সাহায্য পৌঁছে দেয়া হবে, যেন তাঁদেরকে লাইনে দাঁড়াতে না হয় ন।”

“বিতরণে ভিড়ে খাবারের পাশাপাশি রোগ ঘরে বাসায় নিয়ে না আসতে আমরা লাইন ধরে ত্রাণ বিতরণ করছি না। প্রতিটা ঘরের দুয়ারে রাতের অন্ধকারে পৌঁছে দিয়েছি খাবারের বক্সগুলো। ”

একথা গুলো বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এর সেচ্ছাসেবীদের।

মধ্যবিত্ত এমনই একটি নাম যারা পারে না হাত পেতে নিতে , না পারে কষ্ট মাথা পেতে নিতে৷ আত্নসম্মান তাদের অনেক বড় অলংকার । তারা বেঁচে থাকে এই সম্মানটাকে পুজি করে।  আর সেই আত্মসম্মানবোধকে সম্মান জানাতে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এর এই প্ররচেষ্টা।

বিত্তবানরা নিজের কথা নিজেই ভাবতে পারেন। নিম্ন স্থরের মানুষ বিত্তবানদের থেকে নিতে পারেন। কিন্তু মধ্যবিত্ত দের নেই কোন উপায়। তাই তাদের কথা ভেবে এই উদ্যোগ নিয়েছে এই সেচ্ছাসেবী সংগঠন।

তারা বলেন , মধ্যবিত্ত এই পরিবারগুলো কোনোদিন লাইনে দাঁড়াবে না, তাঁদের সে আত্মসম্মানবোধকে আমরা সম্মান জানাতে চেয়েছি এই বিতরণ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে।

রাতের আঁধারে বাড়ির দরজায় কাওকে কিছু না বলে রেখে আসছেন এই খাবার প্যাকেট টুকু।

আচ্ছা, দায়িত্ব টা কি শুধু এরকম সেচ্ছাসেবী সংগঠনের?? তারা কি প্রতিটা দরজায় পৌছে দিতে পারবে?? সম্ভব?? আমাদের উচিত উৎসাহিত হওয়া, নিজ উদ্যোগে প্রতিবেশী কে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগীতা করা।
একটা কাজ করা যায় না? যেখানে থাকি, সেখানের আশে পাশে কার কি অবস্থা আমরা মোটামুটি জানি। রাতের বেলা কিছু বাজার সদাই দরজার কাছে রেখে আসলে হয় না? সে নাই বা জানলো আপনি কে? বড় বড় স্ট্যাটাস না দিয়ে, এরে তারে জ্ঞ্যান না দিয়ে পারলে একটা চিরকুট লিখে দিয়ে আসেন “পাশে আছি” ধন্যবাদ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে