ভারত-পাকিস্তান যৌথভাবে করোনার ওষুধ বানাবে

0
218

ভারত-পাকিস্তান যৌথভাবে করোনার ওষুধ বানাবে

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় এখন পর্যন্ত আশার আলো দেখানো একমাত্র ওষুধ রেমডেসিভির যৌথভাবে তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ভারত-পাকিস্তান। এরই মধ্যে মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট গিলেড সায়েন্স দেশ দুটিকে রেমডেসিভির তৈরির অনুমতি দিয়েছে। গিলেড সায়েন্সেস বিশ্বের ১২৭ টি দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানির সাথে এ ওষুধ তৈরির চুক্তি করেছে। যার মধ্যে আছে ভারতের তিন সংস্থা সিপলা, হেটেরো ল্যাব ও জুবিল্যান্ট লাইফসায়েন্সেস।

মার্কিন ফার্মা জায়ান্ট জানিয়েছে, ‘বিশ্বের ১২৭ টি দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ভারতের তিন সংস্থা ছাড়াও রয়েছে পাকিস্তানের ওষুধ নির্মাতা সংস্থা ফিরোজসন্স ল্যাবোরেটরিস ও পেনসিলভানিয়ার ফার্মা কোম্পানি মাইল্যান। আরো পাঁচটি সংস্থাকে নিজেদের চাহিদা ও সুবিধা মতো ওষুধের দাম নির্ধারণ করার অনুমতি দিয়েছে মার্কিন কম্পানিটি। তবে এই পাঁচটি সংস্থার প্রস্তুত করা ওষুধ বিশ্বের ১২৭ টি দেশে পৌছে দেওয়া হবে’।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভারতে এরই মধ্যে রেমডেসিভির ওষুধের উপকরণ বানানো শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (আইসিআইআর) এর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল টেকনোলজি ল্যাবে রেমডেসিভির ওষুধ তৈরির মূল উপকরণগুলো বানানো শুরু হয়েছে। এবার গিলেড সায়েন্সের সাথে জরুরিকালীন চুক্তির ভিত্তিতে ভারতের তিন ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানি সিপলা, হেটেরো ল্যাব ও জুবিল্যান্ট লাইফসায়েন্সেস-এ বাণিজ্যিক ভাবে রেমডেসিভির ওষুধ তৈরি শুরু হবে।

২০১০ সালে গিলেড সায়েন্সে রেমডেসিভির ওষুধ তৈরি করে। ২০১৪ সালে আফ্রিকাতে ইবোলা মহামারির রুখতে এ ঔষধ কাজে এসেছিল।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে রেমডেসিভির নিয়ে গবেষণা চলছে। এই প্রজেক্টের অন্যতম গবেষক ভারতীয় বংশোদ্ভূত অরুণা সুব্রহ্মণ্যম। তিনি জানান, ‘এখনো স্ট্যানফোর্ড আক্রান্তদের ওপর রেমডেসিভিরের ট্রায়াল পরীক্ষা করা হচ্ছে। ট্রায়ালের পর আক্রান্তরা সেরে উঠলে তবেই বাকিদের উপরে এর পরীক্ষা করা শুরু হবে’। (সূত্র- সংবাদ প্রতিদিন)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে