ভর্তি জালিয়াতি এবার বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

0
188

OURBANGLANEWS DESK।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পরিচিত অভিযোগ ভর্তি জালিয়াতি, ডিজিটাল জালিয়াতি। বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তিপদ্ধতির উদাহরণ টানা হয় এ সমস্যা সমাধানের উপায় হিসেবে।

এবার জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে এসব রথী-মহারথী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিপদ্ধতিতে। আর এ জালিয়াতির টাকার পরিমাণ—১২ লাখ ডলার বা প্রায় ১১ কোটি টাকা।

বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫ নম্বরে থাকা ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক ফুটবল কোচসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে অভিযোগটি।

একটি বিশেষ চক্র এই ভর্তি জালিয়াতির প্রক্রিয়ায় কাজ করে। দুইভাবে জালিয়াতি করে তারা। প্রথমত, জালিয়াতি করে ভর্তি পরীক্ষায়।

দ্বিতীয়ত, জাল সনদ তৈরি করে খেলোয়াড় কোটার জন্য। আইভি লিগ, সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া, স্ট্যানফোর্ড এবং জর্জটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো লক্ষ্য ছিল চক্রটির জালিয়াতি কর্মকাণ্ডের। রিক সিঙ্গার নামের এক ব্যক্তি এসবের হোতা।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, দুজন শিক্ষার্থীর জাল খেলোয়াড়ের সনদ দেন সাবেক নারী ফুটবল কোচ রুডি মেরেডিথ।

এদের একজন পান নি ভর্তির অনুমতি তবে অন্যজন পান ভর্তির সুযোগ। তবে ওই শিক্ষার্থীর নাম ইয়েল প্রকাশ করেনি।

বিবিসি কোর্টের এক নথির বরাত দিয়ে জানায়, ভর্তি জালিয়াতির জন্য শিক্ষার্থীর পরিবার ১২ লাখ ডলার দেয় ২০১৭ সালে চক্রের প্রধান হোতা রিক সিঙ্গারকে।

পরে কোচ রুডি মেরেডিথকে অর্থের অংশ পৌঁছে দেন রিক। শিক্ষার্থীর পোর্টফলিও রুডি যাচাই না করেই সনদ দিয়ে দেন তাঁদের।

নথিতে জানানো হয়, ২০১৮ সালে রুডি রিকের থেকে ৪ লাখ ডলারের চেক পান ওই শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পর। ২০১৫ সালে থেকে এক মিলিত অপকর্ম চলছিল রিক আর রুডির।

গত বছর ভর্তির বিনিময়ে রুডি দাবি করেছিলেন সাড়ে ৪ লাখ ডলার। তিনি পরে ধরা পড়েন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের হাতে। তাঁকে আদালতের মুখোমুখি হতে হবে চলতি সপ্তাহেই।

তবে এটাই প্রথম জালিয়াতির অভিযোগ নয়। ৩৩ জন মাতা-পিতার বিরুদ্ধে এ মাসের শুরুতে আদালতে মামলা করেন ভর্তিপ্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ এনে এক শিক্ষার্থীর মা।

এর মধ্যে ছিলেন এক জোড়া মার্কিন তারকাও। তাঁদের একজন চাকরিও হারান এই জালিয়াতির অভিযোগে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে