বিশুদ্ধ পানি পাবেন শিগগিরই।

0
136

OURBANGLANEWS DESK।

সুপেয় পানির সংকট নিরসনে খুলনা মহানগরীতে বাস্তবায়িত হতে চলেছে, বহুল প্রতীক্ষিত সুপেয় পানির সরবরাহ প্রকল্প।

এর মধ্যেই ৩৩ কিলোমিটার পাইপলাইনে বাগেরহাট মোল্লাহাট সংলগ্ন এলাকায় মধুমতি নদী থেকে পানি আনা হয়েছে, খুলনার রূপসা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে।

পানি পরিশোধনের প্রক্রিয়াও এখানে শুরু হয়েছে।

প্রকল্পের সার্বিক কাজের শেষে চলতি মাসের শেষে পরীক্ষামূলকভাবে পানি সরবরাহ করা হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে, মহানগরীর ১৫ লাখ মানুষ বিশুদ্ধ পানি পাবেন।

খুলনা ওয়াসা আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন করছে এই প্রকল্প।

এসব তথ্য ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে।

খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল্লাহ জানান, শহরে প্রকল্পের আওতায় বসানো হয়েছে ৬৫০ কিলোমিটার পাইপলাইন।

রিজার্ভার এবং ওভার হেড ট্যাংক নির্মাণ করা হয়েছে।

বর্তমানে রূপসা প্ল্যান্টে, মধুমতি নদী থেকে পাইপলাইনে আনা পানি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরিশোধন করা হচ্ছে।

রূপসা নদীর তলদেশ দিয়ে এই শোধনাগার থেকে পানি সরবরাহ করা হবে খুলনা শহরের সাতটি রিজার্ভারে।

প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে, গড়ে প্রতিদিন ১১ কোটি লিটার, পানি সরবরাহ করা যাবে।

জানা যায়, নদীর পানি কয়েক স্তরে ফিল্টারের মাধ্যমে পরিশোধন করা হচ্ছে।

তারপর রিজার্ভার থেকে, পানি সরবরাহ করা হবে চারটি পাম্পের সাহায্যে।

রূপসা নদীর তলদেশ হয়ে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে খুলনা শহরের সাতটি রিজার্ভার পর্যন্ত বসানো হয়েছে ৪০ কিলোমিটার পাইপলাইন।

এছাড়া নগর এলাকায়, সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে বসানো হয়েছে ৬৫০ কিলোমিটার পাইপলাইন।

খুলনা ওয়াসা কর্মকর্তারা বলেন, প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজে বর্তমান কাজ শেষ হয়েছে গড়ে ৯৮ শতাংশ।

জুনের শেষের দিকে পানি সরবরাহ করা হবে ৩০ এবং ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার, বানিয়াখামার, লবণচরা জোনে।

পর্যায়ক্রমে পাইপলাইনে পানি দেওয়া হবে শহরের সব জায়গায়।

তবে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির মহাসচিব শেখ আশরাফ-উজ্জামান আহ্বান জানিয়েছেন পানির সংকট মেটাতে আরও দ্রুততার সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের।

তিনি বলেন, ‘ওয়াসা তার কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে নগরবাসীকে কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদান করবে এটাই প্রত্যাশা।’

ওয়াসা সূত্র জানায়, প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ২ হাজার ৫২৪ কোটি ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এর মধ্যে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এডিবি থেকে ৫২৩ কোটি ৭৭ লাখ ৯৬ হাজার এবং জাইকা থেকে ১ হাজার ২৮৪ কোটি ১২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা দেওয়া হয় জিওবি ফান্ডের বাইরে।