“বাবা” এক অজানা সুপার হিরো

0
444

“বাবা” এক অজানা সুপার হিরো

 

বাবা মানুষটা আসলেই একটু ভিন্ন সভাবের। ঘাড়ে নিয়ে পৃথিবী সমান বোঝা চলে সে সারাজীবন। কিন্তু বিপরিতে নেই কোন আক্ষেপ নেই কোন অভিযোগ। তাকে নিয়ে হয়ত হয়নি কোন বড় উপন্যাস, না লিখা তবে ইতিহাসের পাতায় পাতায় তার কথা গুলো রয়েছে ঠিকই তবে অনেকটা আড়ালে। কারন সুপার হিরো রা একটু লোক চক্ষুর আড়ালে থাকতেই বোধহয় পছন্দ করেন ।

এই সুপার হিরোদের ব্লাডপ্রেসার উচ্চ ই থাকে বেশি। কারন টা হয়ত কখনো ভাবা হয়নি। তিনি হয়ত শুধু শুধুই চিন্তা করে, সারাদিন কাজ করেন হতেই পারে। কিন্তু কাজ কেন করেন! শুধু শুধুই চিন্তা করেন কারন পরিবারের ছায়া হয়ে, ছাদ হয়ে তাকেই রোদ বৃষ্টি গায়ে নিতে হয়। যুদ্ধ করতে হয় কখনো পিঠ দিয়ে কখনো বুক৷

বাবা অনেক কৃপণ , ঈদে-পূজায় নিজের জন্য কখনো কিছু কিনতে চান না। তার সব আছে বলেই জানা হয়। আসলেই সে কৃপণ! পরের দিনের স্কুলের টিফিনে সন্তান হয়ত ভালো কিছু খেতে পারবে। তাই সে কৃপণ।

আসলে লিখতে গেলে হয়ত শেষ হবে না৷  হ্যাঁ বাবা এর নাম আজানা / অচেনা এক সুপার হিরো।

আজ জুন মাসের তৃতীয় রোববার, বিশ্ব বাবা দিবস। এ মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বের প্রায় ৭৪টি দেশে বাবা দিবস পালিত হয়।

১৯০৮ সালে প্রথম বাবা দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে ৫ জুলাই এই দিবস পালন করা হয়। ১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করেন। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন প্রতিবছর জাতীয়ভাবে বাবা দিবস পালনের রীতি চালু করেন।

© নিয়াজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে