বাংলাদেশী মূল্যে ১০ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা।

0
353

OURBANGLANEWS DESK।

এমন একটি দল প্রতি দল বদলের মৌসুমেই গঠন করা হয়। কোনো ইউরোপীয় পরাশক্তি টানে কোনো খেলোয়াড়কে বিশ্ব রেকর্ড করে, আর সবাই সঙ্গে সঙ্গে বানাতে বসেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি স্কোয়াড।

এখনো শেষ হয়নি মৌসুম, এখনো তিন মাস বাকি দল বদলের বাজার উন্মুক্ত হতে। কিন্তু বায়ার্ন মিউনিখ অতদিন অপেক্ষা করতে রাজি হয়নি লুকাস হার্নান্দেজকে দলে পেতে।

বায়ার্ন চাইছিল বিশ্বকাপজয়ী, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে বেড়ে ওঠা ফ্রেঞ্চ ডিফেন্ডারকে জানুয়ারিতেই। কিন্তু তখন রাজি হয়নি ক্লাব তাঁকে ছাড়তে।

মৌসুমের বাকিটা বেঞ্চেই কাটবে জাতীয় দলের হয়ে চোটে পড়ে হার্নান্দেজের। তাই অ্যাটলেটিকোর আর বাধেনি বায়ার্নের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি করতে।

ছিল না উপায়ও, তাঁকে এই ডিফেন্ডারের চুক্তিতে জার্মান ক্লাব নিয়েছে নির্ধারিত রিলিজ ক্লজ দিয়েই।

অ্যাটলেটিকোর দুই বছর আগে মনে হয়েছিল ৮০ মিলিয়নই যথেষ্ট এই ডিফেন্ডারের জন্য নির্ধারিত রিলিজ ক্লজ ঠিক করতে!

বিশ্বের সবচেয়ে দামি একাদশেও হার্নান্দেজের দলবদলের পর বদল এসেছে। দলটিতে একটু নজর দিয়ে আসা যাক একবার—

ফরোয়ার্ড

না বললেও বুঝে নিতেন তিন ফরোয়ার্ড কারা। নেইমার দলবদলের বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ধরে রেখেছেন এখনো।

এই ফরোয়ার্ড বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে গিয়েছেন ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে। পিএসজি নেইমারের পর কিনেছে এমবাপ্পেকেও।

তারা নাকি এককালীন ১৩৫ মিলিয়ন ইউরোই দিয়েছে যদিও শর্ত সাপেক্ষে ১৮০ মিলিয়ন ইউরো। আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এ মৌসুমেই সবাইকে চমকে দিয়েছেন রিয়াল ছেড়ে জুভেন্টাসে গিয়ে। জুভেন্টাস ৩৪ বছর বয়সীকে পেতে ১১৭ মিলিয়ন খরচ করেছে।

মিডফিল্ডার

হয়তো তাঁর এ মৌসুমে খেলা দেখলে মনে হতে পারে অবিশ্বাস্য, কিন্তু ফিলিপে কুতিনহোর জন্য বার্সেলোনা রীতিমতো লড়াই করেছে লিভারপুরের সঙ্গে।

বার্সেলোনা শেষ পর্যন্ত কুতিনহোকে ১২০ মিলিয়ন ইউরো এবং শর্তসাপেক্ষে আরও ৪০ মিলিয়ন ইউরোর প্রতিশ্রুতিতে এনেছে।

মিডফিল্ডারের বিশ্ব রেকর্ড কুতিনহোর দলবদলে হলেও পল পগবা রেকর্ড করতে পেরেছিলেন সবকিছু মিলিয়েই। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এই ফ্রেঞ্চ

মিডফিল্ডারের জন্য ২০১৬ সালে ১০৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে রেকর্ড ভেঙেছিল গ্যারেথ বেলের। মধ্য মাঠে ফ্র্যাঙ্কি ডি ইয়ং ও হামেস রদ্রিগেজ একটু পিছিয়েই থাকবেন কুতিনহো ও পগবার তুলনায়।

মৌসুমে শেষেই ডি ইয়ং বার্সেলোনায় যাচ্ছেন। আর রদ্রিগেজ থেকে ২০১৪ সালে মোনাকো রিয়ালে এসে আপাতত খেলছেন মিউনিখে ধারে।

বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ দুজনের জন্যই খরচ ৭৫ মিলিয়ন ইউরো করেছে।

ডিফেন্ডার

সেটা লেখার শুরুতেই বলা হয়েছে আছেন ৮০ মিলিয়ন ইউরোর হার্নান্দেজ। তবে এখনো ভার্জিল ফন ডাইকের ডিফেন্ডারদের বিশ্ব রেকর্ড।

লিভারপুল ২০১৮ সালের শুরুতে এই ডাচকে সাউদাম্পটন থেকে আনতে খরচ করেছে ৮৫ মিলিয়ন। আয়মারিক লাপোর্তে আছেন এঁদের পেছনেই।

বিলবাও থেকে এই ফ্রেঞ্চ ডিফেন্ডারকে এনেছে সিটি। এবারও অনিচ্ছা ক্লাবের, ফলে খরচ করতে হয়েছে রিলিজ ক্লজের ৬৫ মিলিয়ন ইউরোই ।

গোলরক্ষক

ব্রাজিলিয়ান লিভারপুল ৬২.৫ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে অ্যালিসনকে দলে টেনেছিল এএস রোমা থেকে।

অ্যালিসন ১৮ বছর পুরো দলবদলের রেকর্ড ভেঙে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারেননি খুব বেশি দিন।

অ্যাথলেটিক বিলবাও থেকে গত মৌসুমেই কেপা আরিসাবালাহাকে চেলসি টেনে এনেছে। চেলসিকে আনতে হয়েছিল রিলিজ ক্লজের ৮০ মিলিয়ন ইউরো দিয়েই বিলবাওর অনিচ্ছায় দলবদল বলে।

সব মিলিয়ে দল ১ বিলিয়ন ১৫৯ মিলিয়ন ইউরোর। ১০ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা বাংলাদেশি মূল্যমান!

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে