ফিরে আসা যায় এভাবেও!

0
156

OURBANGLANEWS DESK।

ভূরি ভূরি উদাহরণ আছে খেলাধুলায় পিছিয়ে পড়ে ফিরে আসার। অন্যান্য খেলার তুলনায় একটু কঠিন টেনিসে ‘কামব্যাক’ করা।

তবে তর্কাতীত ভাবে ১৯৮৪ রোলাঁ গ্যারোঁ ফাইনাল শীর্ষে থাকবে টেনিস কোর্টে ঘুরে দাঁড়ানোর তালিকা করলে।

কোনো বিশেষণেই বিশেষায়িত করা যায় না ইভান লেন্ডল আর জন ম্যাকেনরোর ফাইনালে সেই অসাধারণ কামব্যাক।

কিন্তু কাল সবাইকে যেন ছাড়িয়ে গেল তারা মুর আর জেসিকা পঞ্চেতের ম্যাচ!

মুর নয় বছর হয়েছে পা রেখেছেন পেশাদার টেনিসে। কিন্তু গ্র্যান্ড স্লামের দ্বিতীয় রাউন্ডতাঁর সর্বোচ্চ দৌড়। কোনো ডব্লিওটিএ শিরোপাও নেই নামের পাশে।

গতকাল জেসিকা পঞ্চেতের বিপক্ষে নেমেছিলেন নয়টি আইটিএফ শিরোপাজয়ী মুর। অন্যদিকে, খুব একটা নামী খেলোয়াড় নন ২২ বছর বয়সী পঞ্চেতও।

তবে এই ফ্রেঞ্চ নারী খুব একটা পিছিয়েও ছিলেন না। পঞ্চেতই প্রভাব বিস্তার করে ছিলেন ম্যাচে। মুর প্রথম সেটে হেরে বসেন সরাসরি ৬-০ গেমে।

টেনিসের ভাষায় যাকে ‘বেগেল’ বলে! মুর ‘বেগেল’ হজম করার পথে ছিলেন পরের সেটেও। মুরের হার যেন ছিল স্রেফ সময়ের ব্যাপার ০-৫ গেমে পিছিয়ে থাকায়।

শুধু ‘ম্যাচ পয়েন্ট’ ব্যবধান ছিল জয় আর পঞ্চেতের মধ্যে।

কিন্তু বিধাতা অন্যভাবে ম্যাচের ভাগ্য লিখে রেখেছিলেন। সম্ভবত হার লেখা ছিল না ৩০-৪০ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা মুরের ভাগ্যে।

সে কারণে বল নেটে লেগে লাইনে ‘ল্যান্ড’ করে। মুর ম্যাচ ‘ডিউস’ করলেন সেখান থেকে। শুধুই ফিরে আসার গল্প বাকিটুকু।

পঞ্চেত ‘ম্যাচ পয়েন্ট’ মিস করে সেই যে পিছিয়ে পড়লেন, ফিরতে পারলেন না আর। মুর জিতেছেন ৯-৭ পয়েন্টে টাইব্রেকে গড়ানো দ্বিতীয় সেট।

মুরকে তৃতীয় সেটে তেমন কোনো কষ্টই করতে হয়নি দ্বিতীয় সেট জেতার পর। ৬-৩ গেমে তৃতীয় সেট জিতেছেন। ০-৫, ৭-৬ (৯-৭), ৬-৩ গেমে সব মিলিয়ে শেষ হয় ম্যাচ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে