নারীদেরও স্নাতক হতে হবে প্রাথমিকে শিক্ষক হতে।

0
437

OURBANGLANEWS DESK।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে এখন থেকে নারী প্রার্থীদের নিয়োগেও শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে ন্যূনতম কোনো স্বীকৃতি

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

এত দিন নারীদের এই পদে নিয়োগের জন্য উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) বা সমমানের ডিগ্রি ছিল শিক্ষাগত যোগ্যতা।

তবে আগের মতোই দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি রাখা হয়েছে পুরুষ প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা।

এ ছাড়া (নারী, পুরুষ ও পোষ্য) শিক্ষক নিয়োগ যে কোটায় হবে, অবশ্যই বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হবে সেই কোটার ২০ শতাংশ প্রার্থীকে।

তবে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা যাবে বিজ্ঞান ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের দিয়ে ২০ শতাংশ কোটা পূরণ করা না গেলে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ জারি করেছে এমন বিধান রেখে।

মো. আকরাম-আল-হোসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ০৯ এপ্রিল মঙ্গলবার বলেন, তাঁদের প্রায় সবাই কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রিধারী, যাঁরা এখন নিয়োগ পাচ্ছেন।

সবার শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক করা হয়েছে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের উদ্দেশ্যে। আর বিশেষ করে গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক

নিয়োগের কথা চিন্তা করে ২০ শতাংশ পদে বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী প্রার্থীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আগের মতোই বিধিমালা অনুযায়ী ৬৫ শতাংশ এবং ৩৫ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের নিয়োগ হবে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির মাধ্যমে।

প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে পদোন্নতির মাধ্যমে কমপক্ষে সাত বছর চাকরি করতে হবে সহকারী শিক্ষক পদে প্রশিক্ষণসহ।

কোনো স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে।

২১ থেকে ৩০ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের।

বর্তমানে সারা দেশে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক আছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে