নারায়ণগঞ্জে করোনা রোগীর তুলনায় চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল্য

0
212

নারায়ণগঞ্জে করোনা রোগীর তুলনায় চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল্য

কোভিড–১৯ বা নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রামন ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩৮৬ জন ব্যাক্তির দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং ৩০ জন মারা গেছেন।
রাজধানী ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে এই জেলায়। সর্বশেষ, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া ৩১২ জন রোগীর ৩১ শতাংশ ও মারা যাওয়া ৭ ব্যক্তির চারজনই এ জেলার। গত ৮ এপ্রিল থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা লকডাউন (অবরুদ্ধ) রয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এ জেলাকে সংক্রমণ ছড়ানোর কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এ জেলায় করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য এখন পর্যন্ত মাত্র ৮০টি শয্যা আছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তারা আশংকা করছেন, প্রতিদিন যেভাবে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, শিগগির আরও হাসপাতাল বা শয্যা না বাড়ালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে।
আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা জানান, নারায়ণগঞ্জ এখন বড় উদ্বেগের জায়গা। এখানে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। নারায়ণগঞ্জের মধ্যে কারো কোনো উপসর্গ দেখা দিলে তাঁকে চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে। আইসোলেশনে নিতে হবে।

তিনি বলেন, এখন নারারণগঞ্জের জন্য রোগ শনাক্তের পরীক্ষার চেয়ে রোগী ব্যবস্থাপনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানার কারণে বিভিন্ন জেলার শ্রমিক–কর্মচারীরা নারায়ণগঞ্জে বসবাস করেন। ২০১১ সালের আদমশুমারিতে এই জেলার জনসংখ্যা ছিল সাড়ে ২৯ লাখ। তবে, স্থানীয় প্রশাসনের হিসাবে বর্তমানে এ জেলার জনসংখ্যা ৫০ লাখের বেশি।
জনসংখ্যার অনুপাতে এখানে চিকিৎসাব্যবস্থা অপ্রতুল। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর স্বাস্থ্য বিভাগ জেলার দুইটি হাসপাতালকে করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তিদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারণ করেন। দুইটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য মাত্র ৮০টি শয্যা থাকলেও ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জে মোট ৩৮৬ জন ব্যাক্তির দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং ৩০ জন মারা গেছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে