নাটোরে ভূয়া ডাক্তারের বাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

0
151

OURBANGLANEWS DESK।

ভ্রাম্যমান আদালত কথিত চিকিৎসক আব্দুস সাত্তারের বাড়িতে অবৈধভাবে স্থাপিত হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে (যমুনা টেলিভিশনে সংবাদ প্রচারের পর)।

সদর উপজেলার আহমেদপুর ব্রীজ সংলগ্ন চড়তেবাড়িয়া এলাকায় বুধবার দুপুরে এই অভিযান চালানো হয়।

এর আগেই কথিত চিকিৎসক আব্দুস সাত্তার রোগীদের সরিয়ে সকল সাইনবোর্ড, ব্যানার, দেয়াল লিখন মুছে স্বপরিবারে গা ঢাকা দেন।

কয়েকজন রোগীর দেখা মেলে পাশের ছোট ছোট খুপরি ঘরে।

রোগীর স্বজনরা জানান, সকাল থেকেই সাত্তার ব্যানার বিলবোর্ড নামিয়ে ফেলতে এবং রোগীদের চলে যেতে বলেন।

ফলে চলে যায় বেশীরভাগ রোগী। জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট জিয়াউর রহমান অভিযানে অংশ নেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মলয় কুমার রায়সহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট সকল চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখাসহ আগামীকালের মধ্যে সাত্তারকে জেলা প্রশাসকের কাছে হাজির করতে তার স্বজনদের কাছে অঙ্গিকারনামা নেন।

রোগী থাকায় সীলগালা করা হয়নি অবৈধভাবে পরিচালিত ক্লিনিকটি। জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট জানান পরবর্তীতে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, আব্দুস সাত্তার নামের আগে ডাক্তার যুক্ত করে দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজি চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। কিন্তু তার সে বিষয়েও কোন অভিজ্ঞতা নেই।

শুধু তাই নয় বাড়িতে ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল খুলেছিলেন। তিনি সেটার অনুমোদন নেবার প্রয়োজন মনে করেননি।

এছাড়া বিভিন্ন স্থানে টাঙানো সাইনবোর্ডে অনেক স্বনামধন্য ডাক্তারের নাম পদবী ব্যবহার করে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন হাড়ভাঙ্গা, প্যারালাইসিসসহ বিভিন্ন ধরনের।

আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিতে অক্ষম দেশের বেশির ভাগ মানুষ চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছিলেন।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে রিপোর্টারকে টাকা দিয়ে ম্যানেজের চেষ্টা চালানো হয়।

যমুনা টেলিভিশনে বুধবার সকাল থেকে প্রতিঘন্টার সংবাদে ‘কথিত ডাক্তারের রমরমা ব্যবসা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রচারিত হলে স্থানীয় প্রশাসন নড়েচড়ে বসে।

সুত্রঃ যমুনা টিভি