নতুন চিকিৎসায় কমেছে মৃত্যু ঝুঁকি

0
206

নতুন চিকিৎসায় কমেছে মৃত্যু ঝুঁকি

করোনাভাইরাসের আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় গবেষকেরা সবচেয়ে বেশী আস্থা পেয়েছেন মার্কিন ওষুধ রেমডেসিভিরে। যদিও এই ওষুধ সেবন করলেই করোনা সেরে যাবে না।

করোনা আক্রান্তদের দেহে ঔষধটি প্রয়োগের পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া কিভাবে সারিয়ে তোলা যায়, সে ব্যাপারে আরো গবেষণার দরকার আছে। আর ওষুধটি সারাবিশ্বে পাওয়া যাচ্ছে না এবং নির্দিষ্ট কিছু হাসপাতালের গুটিকয়েক রোগী এটি পাচ্ছেন। সেই কারণে সারাবিশ্বের গবেষকরা হন্যে হয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের টিকা এবং ওষুধ আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গবেষকরা মনে করেন, আক্রান্ত রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব ইন্টারফেরন ইনজেকশন দেওয়া দরকার। এতে সুস্থ হওয়ার বিষয়টি ত্বরান্বিত হবে এবং মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস পাবে।

জানা গেছে, ইন্টারফেরন আলফা-২ বি ইনজেকশনটি হেপাটাইটিস বি এবং সি, ত্বকের ক্যান্সার, রক্তের কোষের ক্যান্সার, এইডস-এর চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

গবেষকরা দেখেছেন, করোনাভাইরাস শনাক্তের সাথে সাথে ইন্টারফেরন ওষুধ ‘ল্যামডা’ ব্যবহার করে চিকিৎসা শুরুর তিনদিনের মধ্যে রোগীর অবস্থা উন্নতি হয়েছে।

ল্যামডা ব্যবহারের ফলে এন্টিভাইরাল রেসপন্স বুস্ট হয়ে যায়। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ওষুধ বিভাগের প্রফেসর ডা. উপিন্দার সিং বলেন, ‘পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে এ ধরনের অন্যান্য ওষুধের তুলনায় ইন্টারফেরন ল্যামডা মানবদেহ ভালভাবে সহ্য করে’।

তিনি বলেন, ‘যদি আমি আক্রান্ত হই, তাহলে এই ওষুধ আমার প্রথম পছন্দ। মনে করুন কোনো বাড়িতে আগুন লেগেছে। যত দ্রুত সম্ভব এটি সম্পর্কে দমকলকে জানাতে হবে। আর যত দ্রুত সম্ভব আগুন নেভানো শুরু হলে ক্ষতিটা কম হবে’।

তিনি আরো বলেন, ‘শুরুতে বলা হচ্ছিল বাড়িতে থাকুন। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে আগে পরীক্ষা করান। কিন্তু শনাক্ত হলে তো চিকিৎসা নেই। কিন্তু আমরা কি কিছুই করতে পারি না? এই সময়ে এসে কিছুটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। শুরুর দিকেই শনাক্ত হলে আমরা কিছুটা চেষ্টা তো করতে পারি’।

হংকংয়ের গবেষকরাও বলছেন, ‘এইচআইভির ওষুধে করোনাভাইরাসের রোগী অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠছে। এইচআইভির ওষুধ সেবনে সেরে ওঠতে সময়ও কম লাগছে’। (সূত্র: বিজিআর)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে