তীব্র পানি সংকট।

0
185

OURBANGLANEWS DESK।

নগরীর জুরাইন এর মুরাদপুর বাসিন্দারা ভুগছে তীব্র পানি সংকটে।

এ ছাড়া র্গন্ধের কারণে এ এলাকার পানি পান অযোগ্য হয়ে পড়েছে। শুধু তাই নয়, আবর্জনাও আসছে পানির সঙ্গে।

পানি গাঢ় লালচে রঙের হওয়ায় তা দিয়ে করা যাচ্ছে না ধোয়ামোছার কাজ।

সে ক্ষেত্রে এসব এলাকার অনেক বাসিন্দা পানি কিনে ব্যবহার করছেন।

রমজান মাসে ভোগান্তি আরও বাড়িয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট।

এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের পানি নিয়ে দুর্ভোগের শেষ নেই। পানিতে ময়লা আসে।

স্বাভাবিক রঙ নষ্ট হয়ে পানি গাঢ় লালচে দেখাচ্ছে। এই পানি ব্যবহারে দেখা দিচ্ছে শরীরে নানান সমস্যা

মুরাদপুর বাসিন্দা মাজহারুল ইসলাম বলেন, লাইনের পানি খাওয়া যায় না।

গোসল করলে দেখা দেয় নানা রোগের উপসর্গ। শরীর চুলকায়। চুল হয়ে পড়ে আঠালো।

প্রতিদিন শ্যাম্পু করেও দূর হয় না চুলের আঠালো ভাব।

জানা গেছে, মুরাদপুর এবং তার আশপাশের এলাকায় তিন-চার দিন ওয়াসার লাইনে পানি আসে না।

কোথাও আবার দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বিরতিতে ওয়াসার পানির লাইনে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে; যার ফলে লেগেই আছে পানির সংকট।

এলাকার লোকজন পানির সংকটের কথা দফায় দফায় ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে জানান।

এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন তবে মুক্তি মিলছে না সেই সংকট থেকে।

কেঁচোসহ নানা পোকা মাকড় ফেনাযুক্ত এবং ময়লা ঘন কালো ঘোলাটে পানির সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে।

এক দিকে সংকট, তার ওপর দুর্গন্ধযুক্ত পানি দুর্বিষহ করে তুলেছে নগর জীবনকে।

ফুটিয়েও পানি পানযোগ্য করা যাচ্ছে না।

বেশ কয়েক বছর ধরে ঢাকা ওয়াসার সরবরাহ করা পানিতে এ সমস্যা লক্ষ করা যাচ্ছে।

বিশেষ করে সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হয় গ্রীষ্মের সময়।

বর্তমানে বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে পানি সংকটের চেয়ে দূষণের বিষয়।

বিভিন্ন সময় বিশুদ্ধ পানির দাবিতে জুরাইন-মুরাদপুর ও আশপাশের এলাকায় রাস্তা অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল, গাড়ি ভাংচুর হয়েছে।

কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি পানি সংকটের।

ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, বছরের শুষ্ক মৌসুম মার্চ থেকে মে মাসে পানির সংকট বেড়ে যায়।

এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, ঢাকা শহরে দিনে পানি দরকার হয় ২ দশমিক ২ বিলিয়ন লিটার।

কিন্তু পানি সরবরাহ করা হয় ১ দশমিক ৯ থেকে ২ বিলিয়ন লিটার।

প্রতি বছর ঢাকার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ৩ ফুট করে নিচে নামছে।

এর ফলে বাড়ছে পানিস্বল্পতা।

ঢাকা ওয়াসা মডস জোন-১ নির্বাহী প্রকৌশলী আল আমিন বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বছরের এ সময় পানির চাহিদা বেড়ে যায়।

এ সময়টায় আগে পানি সংকট ছিল।

তবে এখন কমে আসছে সংকটের পরিমাণ।

অবৈধ লাইন বন্ধসহ নানা পদক্ষেপ
পানিতে দুর্গন্ধ কমানোর জন্য নেয়া হচ্ছে।

আমরা বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে এটা করছি।