তারা ‘ধর্ষণের পর’ বাড়ির পাশে ফেলে যায় ছাত্রীকে।

0
167

OURBANGLANEWS DESK।

অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার একটি গ্রামে এক স্কুলছাত্রীকে সারা রাত আটকে রেখে ধর্ষণের পর ফেলা রাখা হয় তার বাড়ির পাশে।

ওই কিশোরী আজ বুধবার ধর্ষণের বিষয়ে জবানবন্দি দিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিচারিক হাকিমের আদালতে।

পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার স্কুল ছুটির পর ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী বাড়ি ফিরছিল।

ফারুক মিয়া (২৮) ও তাঁর দুই সহযোগী শাহরিয়া ও মিঠু পাঠান পথে ওই ছাত্রীকে (ফারুকের) বাড়িতে নিয়ে যান অটোরিকশায় তুলে নিয়ে।

সেখানে ফারুক ওই ছাত্রীকে সারা রাত আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। এদিকে স্বজনেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায় হলেও ছাত্রীটি বাড়ি না ফেরায়।

কিশোরীর মা মেয়ের সন্ধান পাননি সব আত্মীয়স্বজনের বাসায় খোঁজ করেও। পরের দিন সকালে মেয়েটিকে চলন্ত অটোরিকশা থেকে ফারুক মিয়া

ও তাঁর সহযোগীরা ফেলে চলে যান তার বাড়ির পাশে। কিশোরীর আর্তচিৎকারে এ সময় তাকে উদ্ধার করে বাড়ির লোকজন এসে।

জানায় থানা সূত্র, মেয়েটির মা মঙ্গলবার বাদী হয়ে কসবা থানায় মামলা করেন তিনজনকে আসামি করে।

ফারুক মিয়া মামলার প্রধান আসামি। শাহরিয়া ও মিঠু পাঠান অপর দুই আসামি। পলাতক তাঁরা সবাই।

বেলাল হোসেন কসবা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বলেন, ফারজানা আক্তারের ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিচারিক হাকিম আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে জবানবন্দী দিয়েছে ছাত্রীটি।

মেয়েটি আদালতের কাছে বলেছে রাতভর ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণের শিকার হওয়ার বিষয়টি।

আবদুল মালেক কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মা থানায় মামলা করেছেন মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে।

ফারুকসহ তিনজনকে এতে আসামি করা হয়েছে। চেষ্টা চলছে তাঁদের গ্রেপ্তারের।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে