তানিয়া হত্যার ঘটনায় আটক ৫ জনকে ৮ দিনের রিমান্ড।

0
146

OURBANGLANEWS DESK।

বাজিতপুর থানায় কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ বাসের চালক ও হেলপারসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।

৮ মে বুধবার দুপুরে পুলিশ পাঁচজনকে কিশোরগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল মামুনের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চায়।

আদালত আসামিদের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অভিযোগ উঠেছে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের পিরিজপুর রুটে চলাচলকারী ‘স্বর্ণলতা’ পরিবহনের বাসে সোমবার রাতে নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়াকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

বাজিতপুর উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কের বিলপাড় গজারিয়া এলাকায়।

কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের মো. গিয়াসউদ্দিনের মেয়ে তানিয়া।

তিনি ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালের সেবিকা পদে কর্মরত ছিলেন। ৬ মে সোমবার রাতে তিনি ঢাকা থেকে কটিয়াদী ও বাজিতপুরের পিরিজপুর হয়ে নিজ গ্রামে ফিরছিলেন।

বাজিতপুর থানায় তানিয়ার বাবা গিয়াসউদ্দিন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় আসামি করা হয় নাম উল্লেখসহ চারজন এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে।

পুলিশ জানিয়েছে, ৬ মে সোমবার রাতেই পুলিশ এ ঘটনায় গাজীপুরের কাপাসিয়ার নূরুজ্জামান ওরফে নূর মিয়া (৩৮) স্বর্ণলতা বাসের চালক ও লালন মিয়া (৩২) হেলপারকে আটক করেছে।

পুলিশ পাশাপাশি ওই বাসের পিরিজপুর ও কটিয়াদীর দুই লাইনম্যানসহ আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।

বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান পাটোয়ারী জানান, ‘মামলায় এজাহারভুক্ত চার আসামির মধ্যে চালক ও হেলপারসহ সন্দেহভাজন আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

এজাহারভুক্ত অন্য দুই আসামি পলাতক রয়েছে। তাদের ধরতে আমরা অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

আটককৃত পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবো।’

ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার রাতে তানিয়ার লাশ মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।

ময়নাতদন্তের দায়িত্বে থাকা কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন মো. হাবিবুর রহমান জানান, ময়নাতদন্তে স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বাসে তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যার।