ট্রেনে অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা বাড়ছে।

0
226

OURBANGLANEWS DESK।

রোববার (২৪ মার্চ) রাতে লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনে (ঢাকা থেকে লালমনিরহাট) যাত্রা করছিলেন রশিদ।

যাত্রাপথে পড়েন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে।পরে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়।

অজ্ঞান পার্টির শিকার হন, লালমনিরহাট শহরে আদর্শপাড়ার বাসিন্দা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুর রহিমের ছোট ভাই মাসুদুর রশিদ বিপ্লব (৪৫)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে মাসুদুর রশিদ বাড়ির উদ্দেশে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে লালমনি এক্সপ্রেসে রওনা করেন।

তবে তিনি এখনও পুরোপুরি বলতে পারছেন না রাত সাড়ে ১২টার পর থেকে তাঁর কী হয়েছে।লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। রোগের কারণ হিসেবে ‘আননোন পয়জনিং’ লেখা রয়েছে হাসপাতালের ব্যবস্থাপত্রে।

আলেয়া বেগম, মাসুদুর রশিদের স্ত্রী জানান, রোববার বেলা পৌনে ১১টার দিকে পরিচিত একজন অচেতন মাসুদুরকে বাসায় পৌঁছে দেন অটোরিকশাযোগে।

সোমবার দুপুরে তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আদম আলী, লালমনিরহাট জিআরপি থানার পরিদর্শক বলেছেন, “সোমবার সকাল লালমনিরহাট স্টেশনে ১০টা ৫ মিনিটে থামে লালমনি এক্সপ্রেস। এরপর নেমে যায় সকল যাত্রী।

পুলিশ একজন যাত্রী নামছেন না জেনে দেখতে যায়। সেখানে অচেতন অবস্থায় পায় সেই যাত্রীকে। তাঁকে নামানো হয় প্ল্যাটফর্মে।

তারপর ফোন দেওয়া হয়, তাঁর সাথে পাওয়া কার্টনের গায়ের মুঠোফোন নম্বরে। অচেতন ব্যক্তিকে তাঁর মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয় বাড়িতে।থানায় এ ব্যাপারে করা হয়েছে সাধারণ ডায়েরি (জিডি)।”

আলেয়া বেগম, মাসুদুর রশিদের স্ত্রী জানান, ‘তাঁর স্বামীর কাছ থেকে অজ্ঞান পার্টির লোকজন নগদ ৭ হাজার টাকা, দুটি মুঠোফোন ও একটি ব্যাগ ভর্তি কাপড়চোপড় নিয়ে গেছে।’

আবেদ আলী (৪৫) নামের এক ব্যক্তি একই ট্রেনে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে তিন দিন আগে পড়েছিলেন।

আদম আলী, পুলিশ পরিদর্শক জানিয়েছেন, গত শনিবার এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। চলছে তদন্ত, পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তদন্তের আলোকে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে