ট্রেনের টয়লেটে কিশোরী ধর্ষণের চেষ্টা।

0
322

OURBANGLANEWS DESK।

অভিযোগ উঠেছে ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়ার পথে এক কিশোরীকে আন্তঃনগর ট্রেন সিল্কসিটি এক্সপ্রেস এর টয়লেটে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অন্য যাত্রীরা অভিযুক্তকে আটকে করে, পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।

২০ জুন বৃহস্পতিবার, রাতে এ ঘটনা ঘটে ট্রেনের ‘ঝ’ বগির টয়লেটে।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানায় (জিআরপি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুবীর দত্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার থানাতলা এলাকার মো. ফিলিম এর ছেলে আটক যুবক মমিনুল ইসলাম (২৬)। মমিনুল পেশায় রাজমিস্ত্রি।

রাজশাহী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইকবাল জানান, ‘নির্মাণ শ্রমিক মমিনুল ঢাকা থেকে বাড়ি আসছিলেন।

ওই কিশোরীর ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রেনের টয়লেটের ভেতর মমিনুল দীর্ঘ সময় ধরে তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

ট্রেনটি রাত পৌনে ১১টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়। পরে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে রাজশাহী রেলওয়ে থানায় (জিআরপি) নেওয়া হয়।

সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।’

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানায় (জিআরপি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুবীর দত্ত জানান, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে নানি ও খালার সঙ্গে ট্রেনে উঠে ওই কিশোরী।

ট্রেনটি ঈশ্বরদী বাইপাস পৌঁছালে ওই কিশোরী টয়লেটে যায়। এ সময় জোর করে ওই টয়লেটের মধ্যেই ঢুকে পড়ে অভিযুক্ত যুবক মমিনুল।

এক পর্যায়ে তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তবে কিশোরীর চিৎকারে টয়লেটের দরজার সামনে ভিড় করেন ট্রেন যাত্রীরা।

প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর দরজা খুলে মমিনুল। এ সময় তাকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। পরে ট্রেনে কর্তব্যরত পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) উজ্জ্বল গিয়ে ট্রেন যাত্রীদের হাত থেকে তাকে আটক করেন।

এরপর তাকে আটকে রাখা হয়। ট্রেনটি রাজশাহী পৌঁছালে তাকে জিআরপি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।’

ওসি সুবীর দত্ত জানান, ঘটনাটি যেহেতু ঈশ্বরদী জিআরপি থানার অধীনে ঘটেছে, তাই এই থানাতেই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আসামিকে রাতের ফিরতি ট্রেনে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানায় আনা হয়েছে।