ছেলের অপকর্মে বাবার আত্মহত্যা।

0
131

OURBANGLANEWS DESK।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিযোগ পাওয়া যায়, তামান্না আক্তার (১৫) নামের এক কিশোরীকে ভগ্নিপতি ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে।

ছেলের এমন অপকর্ম সহ্য না করতে পেরে অভিযুক্ত নাঈম ইসলামের, বাবা বসুমিয়া অপমানিত হয়ে আত্মহত্যা করেন।

২২ জুন শনিবার, সকালে পুলিশ নবীনগর উপজেলার, গোসাইপুর থেলে মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বসু মিয়া গোসাইপুরে তার খালাতো ভাই, শহিদ মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

সকালে পরিবারের লোকজন বাড়ির পাশে একটি গাছে, ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পায়।

নবীনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রনি সুরে রানা জানান,

‘কয়েকদিন আগে তার ছেলে শ্যালিকা তামান্নাকে ধর্ষনের পর হত্যা করে পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ছেলের এই অপকর্মের গ্লানি সইতে না পেরে বসু মিয়া আত্মহত্যা করেছে।

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে’।

প্রসঙ্গত, ২০ জুন বৃহস্পতিবার, দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশ সদর উপজেলার নাটাই (দক্ষিণ) ইউনিয়নের শালগাঁও গ্রামের নিহত কিশোরীর ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

শালগাঁও গ্রামের নোয়াব মিয়ার মেয়ে, নিহত তামান্না আক্তার। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত ভগ্নিপতি নাঈম ইসলাম (২৭)।

এদিকে, তামান্নার মৃত্যুর পরদিন তার বড় বোন এবং নাঈমের স্ত্রী, স্মৃতি আক্তার সাংবাদিকদের জানান,

“নাঈম তার বাবা বসু মিয়ার সাথে পৌর শহরের সড়ক বাজারে নৈশ প্রহরীর কাজ করেন। গত সোমবার তামান্নাকে খবর দিয়ে বাড়িতে আনেন নাঈম।

বুধবার রাতে তার বাবা বসু মিয়া কাজে গেলেও নাঈম যাননি।

স্মৃতি কাজে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে নাঈম জানান, তিনি সকালে ঢাকা থেকে তার মাকে আনতে যাবেন।”

তিনি জানান, “রাত সাড়ে নয়টার দিকে নাঈম আমের জুস নিয়ে তার মেয়ে জান্নাতকে খাওয়ায়। জুস খেয়ে জান্নাত ঘুমিয়ে পড়ে।

এরপর তামান্নাকেও জুস খেতে বললে তামান্না জুস না খাওয়ায় স্মৃতি সেই জুস খান। জুস খাওয়ার সাথে সাথে স্মৃতি অচেতন হয়ে পড়েন।

সকালে ঘুম থেকে ওঠে তামান্নাকে ডাক দিলেও সে কোনো সাড়া দেয়নি। পরে তামান্নার কাছে গিয়ে দেখেন তার শরীর রক্তাক্ত।”