খুব শীঘ্রই শুরু হবে মেট্রোরেল চলাচল।

0
252


কাজী ইমন, OURBANGLANEWS DESK।

দ্বিতীয় ধাপের কাজের শুরুতেই শঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, ফার্মগেট থেকে মতিঝিল এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে প্রভাব পড়বে প্রকল্পে।
তবে মেট্রোরেল প্রকল্পের উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত প্রথম ধাপের কাজের অগ্রগতি এখন দৃশ্যমান। কর্তৃপক্ষ বলছে, ২য় ধা পেরএই গতি ব্যাহত না হলে চলতি বছরেই শুরু হবে রেল চলাচল।
তবে সেক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
রাজধানীর উত্তরায় এরই মধ্যে দুটি পিলারের মধ্যে একে একে গার্ডার জোড়া দিয়ে এখন দৃশ্যমান মেট্রোরেলের লাইন। এই গার্ডারের দুপাশেই বসবে দুটি রেল লাইন। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এলাকায় একে একে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে একেকটি পিলার। অন্যদিকে দিয়াবাড়িতে তৈরি আছে গার্ডার।

সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরেই এই রুটে চলবে মেট্রোরেল।
মেট্রোরেল ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, ‘ভায়াডাক্টটা যে দেড় কিলোমিটার রয়েছে, আসতে আসতে হয়ত ৬০-৭০ শতাংশ হয়ে যাবে।
আমরা সেখান থেকেই কিন্তু রেললাইন বসাতে থাকবো, যাতে ট্রেন আসার পর ট্রেন চালু করা যায়। ’
অন্যদিকে দ্বিতীয় ধাপের কাজ গত ডিসেম্বর পর্যন্ত হয়েছে দুই দশমিক চার শতাংশ।

আগারগাঁও থেকে পল্লবী অংশের কাজেই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যেখানে নগরবাসীকে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, মতিঝিলের মত ব্যস্ততম এলাকায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনা, সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আকতার মাহমুদ বলেন, ‘এই সময়টাতে আমাদের যে নাগরিক দুর্ভোগটা হয়, সেটাকে ব্যবস্থাপনা করাটাই একটা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এটাকে যতটাই সহনীয় পর্যায়ে আনতে পারবো ততটাই স্বস্তি ফিরে আসবে। ’
এ ক্ষেত্রে প্রথম ধাপের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে বিকল্প ট্রাফিক প্ল্যানের কথা বলছেন কর্তৃপক্ষ। সংশোধিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এই অংশের কাজ শেষ হওয়ার কথা ২০২০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে