কেটে গেছে ফণীর বিপদ: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী।

0
164

OURBANGLANEWS DESK

ডা. মো.এনামুর রহমান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন কেটে গেছে ঘূর্ণিঝড় ফণী’র বিপদ।

তিনি এ কথা জানান ৪ মে শনিবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুপুর দেড়টার দিকে ঘূর্ণিঝড় ফণী সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে।

তিনি বলেন, ‘আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন। ফণীর বিপদ কেটে গেছে। তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের কোনও সমস্যা হবে না।’

প্রতিমন্ত্রী জানান ঘূর্ণিঝড়ে নিহত হন চার জন। তিনি প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্রে না যাওয়ার কারণেই তাদের প্রাণহানি ঘটেছে।

ভবিষ্যতে যেন আর কেউ আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে না থাকে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আশ্রয়, খাদ্য, চিকিৎসা, নগদ টাকা কোনও কিছুরই অভাব ছিল না।

নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ইতোমধ্যে ২০ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে।’

২৪ ঘণ্টা সময় লাগবে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ তথ্য পেতে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার সামর্থবান এবং ধনী সরকার।

ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের কোনও সমস্যা হবে না। বিদেশিদের কাছেও হাত পাততে হবে না।‘

শামসুদ্দিন আহমেদ আবহাওয়া অধিদপ্ততরের পরিচালক বলেন, কেটে গেছে ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ।

এখন স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। সেজন্য ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে।

বিকাল ৪টা থেকে বাড়ি যেতে পারবেন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকজন।

ব্যবস্থা করা হবে তাদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার।

তিনি জানান, ১৬ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে ১৯টি জেলার ৪ হাজার ৭১টি আশ্রয়কেন্দ্রে।

তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি ফসল এবং গবাদি পশুর। বরগুনায় ২ জন, ভোলায় একজন ও নোয়াখালীতে একজন মারা গেছেন।

এদের মধ্যে ঘর চাপা পড়ে দুইজন এবং গাছ চাপা পড়ে দুইজন মারা গেছেন।

এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে আশ্রয়কেন্দ্রে না যাওয়ার কারণে।

নজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বলেন, আমরা সেভাবে কাজ করেছি যেভাবে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

নৌ এবং বিমানবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম চালানোর জন্য।

যেখানে যেভাবে কাজ করা প্রয়োজন সেভাবেই কাজ করবেন তারা।

শফিউল আলম মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়েও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখাতে বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

সেখানে কোন ধরনের সমস্যা হয়নি। কেটে গেছে আমাদের বিপদ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।