করোনা কাউকে করুণা করবে নাঃ ওবায়দুল কাদের

0
96

করোনা কাউকে করুণা করবে নাঃ ওবায়দুল কাদের  

কাদা ছোড়াছুড়ি না করে দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলকে সরকারকের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘করোনা সংক্রমণ কাউকে করুণা করবে না।‘

আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘করোনা মোকাবিলায় ঐক্যই হবে আমাদের মূলশক্তি।‘ এ সময় তিনি করোনার এই সংকটে বিএনপিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মন্তব্য করেছেন, ঈদের আগে শহর থেকে গ্রামে যাওয়ার প্রবণতা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি করোনার সংকটকালে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মানুষ দলে দলে গ্রামমুখী হয়েছে যা অত্যন্ত বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। জেনে শুনে এমন ভয়ানক পরিস্থিতি তৈরি অনাকাঙ্ক্ষিত। এতে নিজেরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবো তেমনি আমরা আশপাশের অন্যদের জীবন ও জীবিকায় হুমকি ডেকে আনবো। তাই আবারও অনুরোধ করবো যেখানে যারা অবস্থানে আছেন সেখান থেকে আপনারা ঈদ করুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, স্থানান্তর আপাতত বন্ধ রাখুন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং সহযোগিতায় আমরা এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠব ইনশাল্লাহ।‘

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রবণতার কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারে লার্জেজ সিঙ্গেল ডে অতিক্রম করছি। দেশে নতুন করে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা গতকাল আগের যেকোনো দিনের চেয়ে বেশি। যা নতুন রেকর্ড।‘

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশা প্রকাশ করেছে করোনা সংকট দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তাই আসন্ন কঠিন সময় মোকাবেলায় আমাদের সকলকে সমন্বিত ও সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার বিকল্প নেই।‘

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় সরকারের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে বলে ভিডিও বার্তায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য আঘাত এবং ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষায় ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আশ্রয় গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে আশ্রয়গ্রহণকারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সুবিধার্থে আশ্রয় কেন্দ্রের চিকিৎসক রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।‘

উপকূলীয় জেলার জনসাধারণকে সাহসের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের উপকূলীয় এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান এবং মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে প্রশাসনকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। এ সময় সামাজিক দূরত্ব মেনে আশ্রয়কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আশ্রয় গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে