করোনা আতংকের জন্য চিকিৎসা পাচ্ছে না সাধারণ রোগীরা

0
230

করোনা আতংকের জন্য চিকিৎসা পাচ্ছে না সাধারণ রোগীরা 

সারা পৃথিবীতে মহামারী আকারে ছড়িয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাস। চায়নার উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে ইতিমধ্যে সারা পৃথিবী জুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে আট লাখ ছাড়িয়েছে। এ পর্যন্ত মারা গেছে প্রায় চুয়াল্লিশ হাজার মানুষ। বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। অঘোষিত লকডাউনে পুরো দেশ।

এমন অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ রোগীরা। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলো খোলা থাকলেও বেসরকারি অনেক হাসপাতালই বন্ধ করে দিয়েছে বহির্বিভাগ সেবা। রাজধানীর পপুলার, ল্যাবএইড হাসপাতাল সহ প্রায় সব বেসরকারি হাসপাতালই বহির্বিভাগ সেবা বন্ধ করে দিয়েছে। গেটে ঝুলছে তালা। যদিও সরকারি সাধারণ ছুটির আওতায় ছিলনা হাসপাতালগুলো। ফলে সাধারন জ্বর, ঠান্ডা কাশি ছাড়াও অন্য যেকোন সমস্যায় ডাক্তার দেখাতে হিমশিম খাচ্ছেন রোগীরা।

সরকারি হাসপাতাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈকালিক বহির্বিভাগও বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে বেশিরভাগ ডাক্তারদের ব্যক্তিগত চেম্বারও।
এমনকি গত কয়েকদিনে দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে অনেকে মারাও গেছেন। ফলে সাধারণ রোগীদের মধ্যে বিরাজ করছে আতংক।
বাস্তবতার নিরিখে বাংলাদেশের জনস্ংখ্যার তুলনায় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা অপ্রতুল। সেক্ষেত্রে রোগীদের ভরসা ছিল বেসরকারি হাসপাতালগুলো।

এমন অবস্থায় রীতিমত ভেঙে পড়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থা।
একজন রোগী বলেন- “এমনি সময় ডাক্তাররা এক হাজার/ দেড় হাজার টাকা নিয়ে রাত বারোটা একটা পর্যন্ত রোগী দেখে। এখন দেখছে না। এখন কি রোগী নাই দেশে? সরকার ও কেন ডাক্তারদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করছে না। আমরা কি বিনা চিকিৎসায় মারা যাব?”
ডাক্তারদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় অনেক ডাক্তারই রোগী দেখছেন না।

এমন বাস্তবতায় স্বাস্থ্যঝুকিতে আছে দেশের সাধারন মানুষ। স্বাস্থ্য বিভাগের অব্যবস্থাপনায় হাসপাতালগুলোও ইচ্ছামত সিন্ধান্ত নিচ্ছে। সাধারণ মানুষ এই ব্যাপারে সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে