করোনাভাইরাস, তাপদাহ ও ঘূর্ণিঝড়ে অস্থির জনজীবন

0
188

করোনাভাইরাস, তাপদাহ ও ঘূর্ণিঝড়ে অস্থির জনজীবন

একদিকে দিনব্যাপী তাপদাহ অন্যদিকে বঙ্গোপসাগর থেকে উপকূলের দিকে ধাবমান ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’-এর আতঙ্ক। তাছাড়া মহামারি করোনাভাইরাস তো আছেই। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের মানুষের জনজীবন অস্থির হয়ে উঠেছে।

দেশের বিভিন্নস্থানের মানুষদেরর মধহ্যে অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। করোনার কারণে ঘরের বাইরে মানুষের উপস্থিতি অনেক কম থাকলেও যারা প্রয়োজনে বের হচ্ছেন তাদের মধ্যে অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। অনেককে ছাতা ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাতাসের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় দৃশ্যমান তাপমাত্রার তুলনায় বেশি তাপ অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়ার ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- ঢাকা, মাদারীপুর, রাঙ্গামাটি, নোয়াখালী, রাজশাহী, পাবনা, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি না হলে এটি অব্যাহত থাকতে পারে।

জানা যায়, ‘রবিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ঢাকায় ৩৬, ময়মনসিংহে ৩৪, চট্টগ্রামে ৩৪ দশমিক ৭, সিলেটে ৩৪ দশমিক ১, রংপুরে ৩৪, রাজশাহীতে ৩৮, খুলনায় ৩৭.৮ এবং বরিশালে ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।’

আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘একদিকে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাব, অন্যদিকে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে আর্দ্রতা বেশি। এ কারণে তাপমাত্রার তুলনায় গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবে ঝড় যত এগিয়ে আসবে, ততই বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।’

পূর্বাভাসে আরো বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় আম্ফানের প্রভাবে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ এবং বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এতে কমে আসতে পারে তাপমাত্রা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে