এফ আর টাওয়ারের ৩টি ফ্লোর সব ছাই,কিছু বাকি নেই পুড়তে।

0
142

মাহিন, OURBANGLANEWS DESK।

পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তিনটি ফ্লোর, এফ আর টাওয়ারের। একেবারে পুড়ে গেছে ভবনের সপ্তম, অষ্টম ও নবম তলা।

ভবনের সপ্তম তলা থেকে আগুন লাগে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফারুক রূপায়ন এফ আর টাওয়ারের অবস্থান বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ের পাশের, ১৭ নম্বর সড়কে।

এই ভবনে আগুন লাগে দুপুর পৌনে একটার দিকে গতকাল বৃহস্পতিবার। পুলিশ জানিয়েছে, এতে নিহত হয় ২৫ জন ও আহত হয়েছে ৭৩ জন।

এই ভবনের গ্যারেজ বেসমেন্টের পুরোটাই। সেখানে এখনো পার্কিং করা আছে কয়েকটি গাড়ি। আগুন বেসমেন্টে লাগেনি। ভবনের তেমন ক্ষতি হয়নি প্রথম তলা থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত।

সিঁড়ি দিয়েই এই তলাগুলোয় অবস্থিত বিভিন্ন অফিসের কর্মীরা, বের হয়ে নেমে আসে নিচে। ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী বলেছেন, ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছিল সিঁড়িতে।

সরাসরি আগুনের আঁচ পৌছায়নি এই ফ্লোরগুলোতে কিন্তু একপর্যায়ে ষষ্ঠ ও পঞ্চম তলা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে ধোঁয়ায়। আট তলার নিচের এই দুটি ফ্লোরে কিছুটা আঁচ পাওয়া যায় আগুনের।

সিঁড়ি ঘর থেকে ধোঁয়া ঢুকে পড়ে নিচের ফ্লোরের মধ্যেও। তবে নাকে কাপড় চেপে ধরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয় নিচের আট তলার কর্মীরা।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পরে। ফায়ার সার্ভিসের দুজন শুক্রবার সকালে বলেন, মূলত আগুনে পুড়ে গেছে

সপ্তম, অষ্টম ও নবম তলা, এই তিনটি ফ্লোর। আগুন থেকে রক্ষা পায়নি এই তিনটি ফ্লোরের কোনো কিছু।

তাঁরা মনে করছেন আগুন ছড়িয়ে দিয়েছে ফ্লোরগুলোর বৈদ্যুতিক তারগুলো। যদিও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি আগুন লাগার প্রকৃত কারণ।

জেনারেল সাজ্জাদ হোসেন, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার বলেন, “এই আগুন লাগার ঘটনা শর্ট সার্কিট থেকে ঘটেছে বলে মনে করছেন তাঁরা। তবে এটা নিশ্চিত হওয়া যাবে তদন্তের পর।”

প্রথমে মনে করা হয়েছিল রেস্টুরেন্ট ছিল অষ্টম তলায় যেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত কিন্তু কোন রেস্টুরেন্ট সেখানে নেই।

প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের অফিস ভবনের প্রতিটি ফ্লোরেই। প্রচুর সংখ্যক কম্পিউটার ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম প্রতিটি ফ্লোরেই রয়েছে। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এগুলো।

আগুনের আঁচ এই তিনটি ফ্লোর ছাড়া লেগেছে ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ফ্লোরেও। ধোঁয়া ঢুকে আচ্ছন্ন করে ফেলে এই ফ্লোরগুলোতে।

ওপরের দিকের ফ্লোরগুলোর গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়েছে‘সাফোকেশন’ থেকে বাঁচতে। ফ্লোরগুলোর আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম হয়ে গেছে লন্ডভন্ড।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে