ঈদুল ফিতর পালনে ডিএমপির নির্দেশনা

0
241

ঈদুল ফিতর পালনে ডিএমপির নির্দেশনা

বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ জামাতে আদায়ের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বিশেষ কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন।

আজ (শুক্রবার) ডিএমপি কমিশনারের দেওয়া এই আদেশকে গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না। সেই সাথে মসজিদের ওজুখানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওজু করে মসজিদে আসতে হবে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি ডিএমপি সদর দপ্তরের এই নির্দেনায় আরো বলা হয়েছে, আগামী ২৫ মে (চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে ওইদিন ঈদগাহ বা উন্মুক্ত স্থানে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে না।

এ ক্ষেত্রে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণের জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে এ বছর ঈদের নামাজের জামায়াত খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামায়াতের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ডিএমপির নির্দেশনাসমূহ মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো।

ডিএমপির নির্দেশনা: ঈদের নামাজের জামাত করার পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদকে জীবাণুনাশক দ্বারা পরিস্কার করতে হবে। ঈদের নামাজের জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদে প্রবেশদ্বারে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে, মসজিদের ওযু খানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওযু করে আসতে হবে এবং ওযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। ঈদের নামাজের জামাতে আগত মুসল্লিগণকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দুরুত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে। এক কাতার অন্তর অন্তর কাতারবদ্ধ হতে হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদে জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো থেকে বিরত থাকবেন। মসজিদে শৃঙ্খলার সাথে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার ক্ষেত্রে মসজিদ কমিটিকে পৃথক পৃথক ব্যবস্থা রাখতে হবে।

করোনা পরিস্থিতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাসায় যাতায়াত করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ঈদের দিন ও পরবর্তী সময়ে বিনোদন কেন্দ্রে যাতায়াত না করে, নিজ ঘরে অবস্থান করে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ উদযাপন করতে হবে।

ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে যারা ঢাকার বাহিরে যাবেন তারা তাদের বাসা অথবা ফ্ল্যাটের মেইন গেটে অটোলক ব্যবহার করবেন এবং বাসাবাড়ী ত্যাগের পূর্বে রুমের দরজা-জানালা সঠিকভাবে তালাবদ্ধ করে যাবেন।

মালিক পক্ষ স্ব স্ব মার্কেট/শপিং মলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করবেন এবং নিজ নিজ এলাকার থানা/ফাঁড়ির সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখবেন। যারা খালি বাসায় মূল্যবান সামগ্রী রেখে ঢাকার বাইরে যাচ্ছেন, তারা আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় তা রেখে যাবেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে