ইয়াবা পাচারে নতুন পদ্ধতি, ‘বেসরকারি হেলিকপ্টার’।

0
354
ছবিঃ ইন্টারনেট

OURBANGLANEWS DESK।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খবর পেয়েছে ইয়াবা পাচারের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বেসরকারি হেলিকপ্টারকে।

বলেছে মন্ত্রণালয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তথ্য দিয়েছে মাদক চোরাচালানের বিষয়ে, কক্সবাজার থেকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে।

যেহেতু তেমন কোনো নিরাপত্তাবলয়ের মাধ্যমে যেতে হয় না হেলিকপ্টারের যাত্রীদের এবং স্ক্যানিংয়ের যথাযথ ব্যবস্থা নেই পণ্য পরিবহনের সময়, ব্যাপারটি তাই এত দিন নজরে আসেনি কারও।

০৩ মার্চ বুধবার সকালে এ তথ্য জানার পর স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয় জরুরি বৈঠক করেছে বেসরকারি আটটি প্রতিষ্ঠানের হেলিকপ্টারের মালিক ও তাদের প্রতিনিধি,

বিমান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে সচিবালয়ে। তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে মাদক পরিবহন প্রতিরোধে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, হেলিকপ্টার ব্যবহার করে মাদক পরিবহন হচ্ছে।

স্ক্যানিংয়ের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় অনেক মাদক ব্যবসায়ী এ সুযোগ পাচ্ছে। এ জন্য হেলিকপ্টার মালিকদের ডেকেছিলাম।

বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন দিতে আমরা একটি কমিটি করে দিয়েছি।’

জানা গেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে, একটি কমিটি করা হয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে।

কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে আগামী এক মাসের মধ্যে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি হেলিকপ্টার ব্যবহারে সতর্কতা জারি করতে বলা হয় আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকেও মাদক পরিবহন প্রতিরোধে।

জানান বিমান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা, তাঁরা এত দিন খবর পেয়েছেন, মাদক আনা-নেওয়া করা হয় অভ্যন্তরীণ রুটের বিমানে যাত্রীদের দিয়ে।

কিন্তু এখন খবর আসছে তারা ইয়াবা পাচার করছে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে। যারা ভাড়ায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে এ অভিযোগ তাদের ক্ষেত্রে।

জানান বিমানের একজন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে হেলিকপ্টার ওড়ার ছয় ঘন্টা আগে অনুমতি নেওয়ার কথা থাকলেও বেশির ভাগই নেন না।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে