ইরাক থেকে টাকা আসছে ৩০ বছর পর।

0
181

OURBANGLANEWS DESK।

ইরাকের এক ব্যাংকে ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রমিকদের টাকা আটকা পড়ে।

আবার ফেরত আসেনি ওই সময়ে বাংলাদেশ থেকে যে পাটপণ্য রপ্তানি হয়, তার অর্থও। ফলে বিভিন্ন ব্যাংকের বেশ কিছু টাকা দেশটিতে এখনো রয়ে গেছে।

সোনালী ব্যাংক এর মধ্যে ইরাকের একটি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে দেশটি থেকে ২ লাখ ৫৭ হাজার ডলার ফেরাতে।

ফলে দেশটিতে আটকে থাকা এ দেশের শ্রমিকের টাকা ফিরতে শুরু করছে তিন দশক পর। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সোনালী ব্যাংক।

বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে, সোনালী ব্যাংক ২ কোটি ১৮ লাখ টাকা আদায় করেছে ইরাকের একটি সরকারি ব্যাংকের কাছে থাকা।

সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল মকবুল সম্প্রতি বাগদাদের রাফিদেইন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান

খাওলা তালিব জব্বারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করে এ টাকা ফেরত আনতে। শিগগিরই দেশটির ব্যাংক এ টাকা ফেরত পাঠাবে চুক্তি অনুযায়ী।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ ও ফরেন রেমিট্যান্স ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের উপমহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল ওয়াহাব চুক্তি স্বাক্ষরকালে উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকটি জানিয়েছে আবু মাকসুদ মো. ফরহাদ ইরাকে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় এ অর্থ পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

আবু সালেহ্ মোহাম্মাদ ইমরান দূতাবাস কর্মকর্তা জানান, অর্থ আদায় সম্ভব হয়েছে ইরাকে সার্বিক পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসায়।

নতুন করে শুরুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে ইরাকের ব্যবসা-বাণিজ্য।

রাফিদেইন ব্যাংকের সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে সমঝোতা হয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্থ দেশে আনতে।

জানা গেছে, দেশটিতে রয়ে গেছে সোনালী ব্যাংকের মতো আরও কয়েকটি ব্যাংকের টাকা। কারণ, ওই সময়ে বেশি শ্রমিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী কর্মরত ছিলেন সৌদি আরবের পরই ইরাকে।

বেশির ভাগ শ্রমিক দেশে ফিরে আসেন যুদ্ধ শুরু হলে। অন্য দেশে চলে যান অনেকে।

আবার রপ্তানি হয়েছিল যে পণ্য, দেশে আসেনি সেই রপ্তানি আয়ও। তবে সোনালী ব্যাংক দেশে অর্থ শোধ করে দিয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে